বাংলাদেশের ইপিজেডগুলোতে শ্রমিকের অধিকার নিয়ে কয়েক বছর ধরেই বিতর্ক চলছে। অবশ্য ২০০৪ সালে ইপিজেড শ্রমিক সংঘ ও শিল্প সম্পর্ক সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের পর এই বিতর্ক কিছুটা থিতিয়ে এসেছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও এ বিষয়টির পুরোপুরি নিষ্পত্তি হয়েছে কি না সন্দেহ। কেন এই বিতর্ক এবং আইন প্রণয়নের পরও কেন বলা যাচ্ছে না যে, বিতর্কের অবসান হয়েছে- এসব বিষয়ের ওপর আলোকপাত করাই হচ্ছে বর্তমান মূল লক্ষ।
অনেক উন্নয়নশীল দেশেই দ্রুত শিল্পায়ন এবং রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের লক্ষ্যে ইপিজেড (যা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের ইংরেজিতে সংক্ষিপ্ত নাম) স্থাপন করা হয়। যেহেতু এসব দেশে ভৌত অবকাঠামো সাধারণভাবে অনগ্রসর, ইপিজেড স্থাপনের পেছনে মূল যুক্তি হলো, একটি নির্ধারিত এলাকায় শিল্প স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর ব্যবস্থা করে বিনিয়োগকে উত্সাহিত করা। সুতরাং ইপিজেডের প্রচারপত্রে উন্নত অবকাঠামোর বিজ্ঞপ্তি থাকাই স্বাভাবিক। কিন্তু তার সঙ্গে যোগ করা হয় আরো একটি বিষয়-স্বল্প মজুরিতে শ্রমিকের সরবরাহ (এবং কখনো কখনো বলা হয়, শ্রমিক সংঘ থেকে যুক্ত)। সেখানেই বিতর্কের সূত্রপাত।
আশি এবং নব্বইয়ের দশকে সারা পৃথিবীতেই ইপিজেডের মোট ৭৯টি ইপিজেড ছিল। ২০০২ সালে ১০৬টি দেশের ৩ হাজার ইপিজেড এবং এই ইপিজেডগুলোতে শ্রমিকের সংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি। একমাত্র চীনেই ৩ কোটি শ্রমিক ইপিজেডে কাজ করেন।
ইপিজেড শ্রম প্রয়োগের ব্যাপারে বিভিন্ন দেশের মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ, শ্রীলঙ্কায় বিনিয়োগকারীদের জানানো হয়, দেশের শ্রম আইন ইপিজেডেও প্রযোজ্য। তেমনিভাবে মরিসাস, কোষ্টারিকা, বারবাডোজ, জ্যামাইকা, ত্রিনিদাদ, টোবাগো-এসব দেশেও সাধারণ শ্রম আইন ইপিজেড প্রযোজ্য। অন্যদিকে পাকিস্তান ইপিজেড গুলোকে শ্রম আইনের আওতায় বাইরে রেখেছে। ফিলিপাইনও গোড়াতে তাই করেছিল। কিন্তু অনেক বছর শ্রমিক অসন্তোষের পর ১৯৯৫ সালে আইন প্রণয়ন করে ইপিজেডগুলোকে শ্রম আইনের আওতায় এনেছে। কিন্তু তারপরও সে দেশের কিছু কিছু ব্যক্তিমালিকানাদীনী ইপিজেড নিজেদের শ্রমিক সংগমুক্ত বলে ঘোষণা করে। আবার যেসব দেশ সাধারণ শ্রম আইন ইপিজেডে প্রযোজ্য বলে ঘোষণা করে, সেগুলোতেও কখনো শ্রমিকদের সংগঠিত করার পথে নানা ধরনের বাধা লক্ষ করা যায়। মোটামুটিভাবে এ কথা বলা যায়, ইপিজেড শ্রম আইনের প্রয়োগ এবং শ্রমিকদের তাদের মূল অধিকারগুলো (যেমন- সংগঠন করার স্বাধীনতা, যৌথভাবে দরকষাকষির অধিকার) প্রদানের ব্যাপারে এখনো অনেক বাধা রয়েছে, যদিও এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ছে এবং বিভিন্ন দেশে সংস্কারের প্রচেষ্টা চলছে।
তবে লক্ষণীয় যে, বাংলাদেশের ইপিজেড শ্রম আইনের যে সংস্কার হচ্ছে তার পেছনের মূল চালিকাশক্তি হলো অন্যান্য দেশের প্রভাব। সেখানে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের অংশীদাররা (বিশেষত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে। একদিকে উন্নত দেশগুলোর ভোক্তারা পণ্য সরবরাহকারী দেশগুলোতে শ্রমিকের অবস্থা ও কাজের পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন হচ্ছেন, অন্যদিকে উন্নত দেশগুলোর শ্রমিক সংঘগুলোও অনুন্নত দেশের শ্রমিকদের মজুরি এবং কাজের পরিবেশ সম্পর্কে (যেকোনো কারণেই হোক) সোচ্চার হয়ে উঠছে। বাংলাদেশের ইপিজেডে শ্রমিক সংঘ বৈধ করার ব্যাপারে এই দ্বিতীয় শক্তিটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। আরো একটি গুরূত্বপূর্ণ বিষয় এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে। যখন ইপিজেডে শ্রমিক সংঘ অনুমোদন করার অন্য চাপ আসতে থাকে, তখন কোনো কোনো বিনিয়োগকারী দেশ ভীতি প্রদর্শন করে এই বলে যে, সে ক্ষেত্রে তারা তাদের বিনিয়োগ অন্যত্র সরিয়ে নেবে। একদিকে শ্রমিক সংঘ বৈধ না করা হলে বাংলাদেশের রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপের ভীতি, অন্যদিকে শ্রমিক সংঘ অনুমোদিত হলে বিনিয়োগ প্রত্যাহারের ভীতি- এ দুটি পরস্পরবিরোধী চাপের মুখে বাংলাদেশ সরকার এক সময় বেশ বেকায়দায় পড়েছিল। অবেশেষ ২০০৪ সালে সরকার শ্রমিক সংঘ ও শিল্প সম্পর্ক বিষয়ে আইন প্রণয়ন করে ইপিজেডে শ্রমিক সংঘ গঠনের অনুমোদন দেয়। সে আইনের আওতায় ২০০৬ সালের নভেম্বর থেকে ইপিজেডের শিল্প কারখানাগুলোতে শ্রমিকরা শ্রমিক সংঘ গঠন করতে পারবেন।
তবে ২০০৪ সালের আইনেও কিন্তু শ্রমিকদের স্বাধীনভাবে সংগঠিত হওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। এ আইন অনুযায়ী কোনো শিল্প ইউনিটে একটি শ্রমিক সংঘকে অনুমোদন পেতে হলে ইউনিটটির মোট শ্রমিকের অন্তত ৩০ শতাংষের মসর্থন দেখাতে হবে। স্পষ্টতই শ্রমিকরা চাইলেই কোনো ইউনিটে একটি ইউনিয়ন গঠন করতে পারবে না, যদিও সরকারের যুক্তি এই যে, এই উপ-ধারায় মাধ্যমে অতিরিক্ত সংখ্যায় শ্রমিক সংঘের সৃষ্টি এবং সংঘগুলোর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দলে বিভাজন রোধ করা যাবে। বাস্তবে যৌথ দরকষাকষির এজেন্ট নির্বাচনের ব্যাপারে অসুবিধা সৃষ্টি হতে পারে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা আইএলও এ বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
বিশ্বায়ন এবং বাজার অর্থনীতির পরিপ্রেক্ষিতে শিল্পে প্রতিযোগিতামূলক হওয়া অত্যন্ত জরুরি। সে ব্যাপারে উত্পাদনের খরচ একটি অন্যতম গুরূত্বপূর্ণ উপাদান। আর উত্পাদন খরচের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হচ্ছে শ্রমের মজুরি। কিন্তু একই সঙ্গে এটাও বলা দরকার, অনেক শ্রম নিবিড় শিল্পেও আজকাল উন্নত প্রযুক্তি এবং কাঁচামাল ব্যবহার করা হয়। যার ফলে মোট উত্পাদন খরচের স্বল্প অংশই মজুরিতে যায়। এসব শিল্পের প্রতিযোগিতার ক্ষমতা শুধু মজুরির ওপর নির্ভর করে না। যন্ত্রপাতি ও কাঁচামালের যথাযোগ্য ব্যবহার সুদক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেও যথেষ্ট পরিমানে ব্যয় সংকোচন সম্ভব। আর মজুরি ছাড়াও এককপ্রতি শ্রমের খরচ অনেকাংশে নির্ভর করে শ্রমিকের উত্পাদিকা শক্তির ওপর, যা শ্রমিকের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা কর্তৃক যথেষ্ট প্রভাবিত হয়। যদি শ্রমিক দক্ষ হয়, এবং সার্বিক নৈপূর্ণ যদি বাড়ানো যায়, তাহলে মজুরি বাড়লেও এককপ্রতি শ্রমের খরচ নাও বাড়তে পারে।
তবে এ কথা সথ্য যে, অনেক শিল্পই অতিমাত্রায় শ্রমনির্ভর এবং সেগুলোতে শ্রমের খরচ মোট উত্পাদন করচের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হতে পারে। সেসব শিল্প মূলত স্বল্প মজুরি এবং কম দামের জন্যই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকে। এ ধরনের শিল্পে বিনিয়োগকারীরা স্বাভাবিকভাবেই চান, মজুরি যথাসম্ভব কম রাখতে। শ্রমিকরা সংগঠিত হলে এ ব্যাপারে অসুবিধা তো হতেই পারে। তবে শ্রমিক সংঘ অনুমোদনে বাধা না দিয়ে এ ধরনের শিল্পের উদ্যোক্তাদের উচিত হবে প্রতিযোগিতামূলক থাকার জন্য বিকল্প ও সুদক্ষ উপায় বের করা। আইএলওর এক জরিপে দেখা গেছে, বিনিয়োগে উত্সাহ সৃষ্টির পেছনে শ্রমিক সংঘ অনুমোদিত হয়েছে। সেগুলোতে নিয়োগের পরিমাণ কমে যায়নি। এ প্রসঙ্গে ফিলিপাইনের ইলেকট্রোনিক্স শিল্পের কথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সেখানে অনেক প্রথম সারির উদ্যোক্তা শ্রমিক সংঘ থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ বাড়িয়েছেন। সে দেশের পোশাক শিল্পেও এ ধারা লক্ষ করা গেছে। এ ধরনের উদাহরণ থেকে মনে হয়, যদিও বিনিয়োগকারীরা ইপিজেডে শ্রমিক সংঘের উপস্থিতিতে সমর্থন করেন না, এমনকি অনুমোদিত হলে বিনিয়োগ প্রত্যাহারের হুমকি দেন, বাস্তবে বিনিয়োগ কমে যাবে, এ ধরনের আশঙ্কার তেমন জোরালো কোনো কারণ নেই।
তা ছাড়া এটাও মনে রাখতে হবে যে, কোনো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে প্রতিযোগিতামূলক করার জন্য শ্রমের খরচ তা ছাড়াও অন্য অনেক বিষয় রয়েছে। এর মধ্যে অবকাঠামো অন্যতম। রাস্তা-ঘাটের অবস্থা, বিদ্যুত্ সরবরাহ, বন্দরের দক্ষতা, টেলি যোগাযোগ ইত্যাদি বিষয়ের ওপর উত্পাদনের ব্যয় এবং দক্ষতা, অনেকাংশে নির্ভর করে। তদুপরি শ্রমিকের শিক্ষার মান এবং প্রশিক্ষণও গুরূত্বপূর্ণ। সুতরাং শুধু শ্রমিকের মজুরির ভিত্তিতে কোনো শিল্পকে প্রতিযোগিতামূলক করার চেষ্টার বদলে একটি সার্বিক প্রচেষ্টা অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে। এ প্রসঙ্গে পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর অভিজ্ঞতা স্মরণ করা যেতে পারে। যদিও গতানুগতিক জ্ঞান থেকে মনে হতে পারে, শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার সীমিত অধিকার এবং মজুরির ওপর নিয়ন্ত্রণ এসব দেশের প্রতিযোগিতার ক্ষমতাকে সাহায্য করেছে। বাস্তবে কিন্তু অন্য অনেক বিষয়ই এ ব্যাপারে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে। অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে, উন্নতমানের অবকাঠামো, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ওপর অধিকতর জোর ইত্যাদি।
আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা প্রসঙ্গে আরো একটি বিষয়ের উল্লেখ প্রয়োজন। আগেই বলেছি, উন্নত দেশগুলোর অনেক ক্রেতা-ভোক্তাই এখন পণ্য উত্পাদনের প্রক্রিয়া, কর্মজগতে শ্রমিকদের অবস্থা, পরিবেশ ইত্যাদি বিষয়ে সচেতন হয়েছেন। ফলে অনেক আমদানিকারক দেখে নেন উত্পাদনকারী দেশে ( বা কারখানায়) শ্রমের পরিবেশ কেমন। কোনো পণ্য মূল্যের দিক থেকে প্রতিযোগিতামূলক কি না, তা যেমন গুরূত্বপূর্ণ, উত্পাদন প্রক্রিয়ায় শ্রমের মান ও পরিবেশসংক্রান্ত মান বজায় রাখা হচ্ছে, কি না সেটাও গুরূত্বপূর্ণ নয়। এমনকি শেষোক্ত দুটি বিষয় অনেক সময় পণ্য বিক্রয়ে শক্তিশালী প্রচার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরনস্বরূপ কম্বোডিয়ার পোশাক শিল্প আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার মানা করছে- এই বিজ্ঞাপন রপ্তানি বাণিজ্য সাফল্যজনকভাবে ব্যবহার করছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও মান্যকরণ একটি গুরূত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশের উপিজেডে শ্রমিক সংঘ অনুমোদনের বিরোধিতা করে বিনিয়োগকারী দেশগুলো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত শ্রমমানেও বিরোধিতা করছে। আইএলও দুটি কনভেনশনের মাধ্যমে শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার এবং যৌথভাবে দর কষাকষির অধিকার সংরক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পরপরই এই দুটি কনভেনশনেই স্বাক্ষর করেছে।
সুতরাং দেশের বিশেষ বিশেষ এলাকায় (যেমন, ইপিজেড) শ্রমিকদের এই দুটি অধিকার থেকে বঞ্চিত করার মধ্যে একটি স্ববিরোধিতা রয়েছে। উপরিউক্ত দুটি কনভেনশন বাদেও ১৯৯৮ সালে আইএলওতে একটি উল্লেখযোগ্য ঘোষণা গৃহীত হয়, সেটি হচ্ছে কর্মজগতে মূল নীতিমালা এবং অধিকার সংক্রান্ত ঘোষণা। আইএলওর সদস্য দেশগুলো সর্বসম্মতিক্রমে এই ঘোষণাটিকে গ্রহণ করে। তাদের মধ্যে কিন্তু বাংলাদেশে বিনিয়োগকারী প্রধান দেশগুলোও অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং তারা যদি বাংলাদেশ ইপিজেড (বা অন্য কোথাও) শ্রমিক সংঘ গঠনের বিরোধিতা করে তবে তা হবে এক ধরনে স্ববিরোধিতা। তাহলে এসব দেশ কেন সেটা করছে? এ প্রসঙ্গে চলে আসে বাংলাদেশের শ্রমিক সংঘগুলোর ভাবমূতি ও ভূমিকার কথা।
বেশ কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশের শ্রমিক সংঘগুলোর ভূমিকা ও কার্যকলাপ নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠছে। অন্যান্য অনুন্নত দেশের মতো বাংলাদেশের শ্রমিক সংঘগুলোও রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। ফলে তাদের কার্যকলাপে দেশের রাজনৈতিক কোন্দলের প্রভাব পড়ে। এ ছাড়া প্রশ্ন উঠছে, শ্রমিক সংঘগুলো কি সত্যিই সাধারণ শ্রমিকের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য কাজ করে, নাকি মুষ্টিমের কিছু শ্রমিক ও শ্রেণীর স্বার্থে তাদে সাংগঠনিক শক্তি এবং প্রভাবকে ব্যবহার করে। এসব প্রশ্নকে উপেক্ষা না করে শ্রমিক সংঘগুলোর উচিত হবে আত্মানুসন্ধান করা এবং দেখা, কেন তাদের বিরূদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ উঠছে। ঐতিহাসিকভাবে কর্মজগতে সুষ্ঠু শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক বজায় রাখতে এবং শ্রমিকের স্বার্থ সংরক্ষণের শ্রমিক সংঘগুলো গুরূত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেমের শ্রমিক সংঘগুলোকেও এই ভূমিকা পালন করতে হবে এবং তার জন্য নিজেদের ভাবমূর্তিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে হবে। প্রয়োজনবোধে তাদের নিজেদের কার্যপ্রণালী পরিবর্তন এবং সংস্কার করতে হবে।